ছবিঃ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা

কলেজ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

১৯৮৬ সালে, এই অঞ্চলের শিক্ষার প্রসার ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৎকালীন সমাজসেবক শামসুল হক মিয়া বার্থী ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার সময় তার মূল লক্ষ্য ছিল স্থানীয় ছাত্রছাত্রীদের উচ্চমানের শিক্ষা প্রদান করা এবং তাদের জন্য একটি স্থিতিশীল শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা। শামসুল হক মিয়ার দুরদর্শী নেতৃত্বে, কলেজটি ধীরে ধীরে তার শৈশব পর্ব থেকে উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে শুরু করে। প্রথমদিকে, কলেজটিতে কয়েকটি বিভাগের মধ্যেই শিক্ষাদান সীমাবদ্ধ ছিল। তবে শামসুল হক মিয়ার উদ্যোগ এবং স্থানীয় মানুষের সমর্থনে, কলেজের অবকাঠামোগত বিকাশ এবং বিভিন্ন নতুন বিভাগের সংযোজন সম্ভব হয়েছে। শিক্ষার মান উন্নত করার পাশাপাশি, গবেষণার সুযোগ ও সুবিধা বৃদ্ধির দিকেও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছিল। কলেজটির বিকাশের অন্যতম কারণ ছিল এর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে একত্রিত প্রচেষ্টা। প্রতিটি ক্লাসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং নতুন নতুন শিক্ষণ পদ্ধতির প্রয়োগ এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। কলেজটি স্থানীয় সমাজের উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখে এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করে। কলেজটি শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে সহায়ক কার্যক্রম আয়োজনের মাধ্যমে, বার্থী ডিগ্রি কলেজ এই অঞ্চলে একটি অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজের জায়গা করে নিয়েছে। বর্তমানে, কলেজটি তার শিক্ষার মান এবং ছাত্রছাত্রীদের সফলতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, যা শামসুল হক মিয়ার ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলশ্রুতি।